এসো – বন্ধু

এসো, বন্ধু, দায়িত্ববোধ – কিছুদিন যাবত এই তিনটি শব্দ মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু কী লিখব আর কিভাবে লিখবো ঠিকমতো গুছাতে পারছিলাম না… বন্ধুদের অনেকের লেখার হাত এতোই চমৎকার সত্যিই মুগ্ধ হয়ে যাই। সব কিছু ঝেড়ে ফেলে নিজের মতো করে লেখা শুরু করে দিলাম।

“এসো (ESO)” আমাদের সবার প্রশান্তির একটা জায়গা, যেখানে সবাই মিলে হাতে হাত ধরে সারাজীবন হাটবো , সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেব, প্রাণ খুলে হাসবো, মন খুলে কথা বলবো, সবার মেধা ও চিন্তাশক্তি দিয়ে ভবিষ্যত স্বপ্নে বিভোর হবো।

আচ্ছা আমরা কি “এসো ( ESO)” কে আমাদের একটি সন্তান-এর মতো করে দেখতে পারি? যার জন্য প্রতিদিন একটু সময় দিবো, প্রতিদিনের একটু একটু ভাবনাকে সমন্বিত করে এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প করবো। ভাবতেই নস্টালজিক হয়ে যাই, ভালোলাগা কাজ করে, আমরা সবাই ছোট্টবেলার বন্ধুরা আজও একত্রিত হয়ে স্বপ্নের জাল বুনছি, আলহাম্দুলিল্লাহ্। আমরা স্বপ্ন দেখছি, ভবিষ্যতে সেই স্বপ্নের বাস্তবায়ন করবে আমাদেরই সন্তানরা।

২০২৫-৩০ সালে “এসো”কে ঘিরে আমার স্বপ্নের কথা তোমাদের সাথে শেয়ার করছি।

১. সংগঠনটি শুরু থেকেই শিক্ষার উপর বিশেষ জোর দিয়ে আসছে, সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দেয়ার চেষ্টা থাকবে সর্বাগ্রে।

২. শিশু বিকাশ কেন্দ্র। যেখানে শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য সব রকম সুযোগ থাকবে (যা থেকে আমাদের শিশুরা বঞ্চিত)।

৩. বৃদ্ধাশ্রম। ঘন সবুজে ঘেরা, পাখির কলকাকলীতে মুখরিত থাকবে সবসময়ই। সর্বোপরি স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয়ার একটা জায়গা।

আগামী ১৪ই মে আমাদের সংগঠনের ১০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, পরম শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাচ্ছি এবং এসো( ESO) পরিবারের সফলতা কামনা করছি। বন্ধুরা “সবাই ভিন্ন একসাথে অনন্য”।

ধন্যবাদ।

রোকেয়া সুলতানা লিমা

সাধারণ সম্পাদক
এসো (ESO)

Translate »